প্যারামেডিক্যাল সায়েন্স ক্রমে একটি বহুমুখী পরিষেবা ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠছে, যেখানে সুযোগের অভাব নেই। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা–এটাই যদিও এর মূল লক্ষ্য, তবুও প্যারামেডিক্যাল পরিষেবা আজ ক্যারিয়ার বৃদ্ধির নতুন পথ তৈরি করেছে এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্যারামেডিক্যাল কোর্সগুলো তৈরি করা হয়েছে চাকরি-কেন্দ্রিক একাডেমিক প্রোগ্রাম হিসেবে, যা শিক্ষার্থীদের দক্ষ স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীতে রূপান্তরিত করে। বিশেষ করে দুর্ঘটনা ও ট্রমা কেয়ারের ক্ষেত্রে প্যারামেডিক্যাল কর্মীদের গুরুত্ব এখন ব্যাপকভাবে স্বীকৃত—যা স্বাস্থ্য খাতে তাদের অপরিহার্য ভূমিকা তুলে ধরে।
স্বাস্থ্যসেবার জগৎ শুধুই ডাক্তার বা নার্সদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আরও বহু জরুরি ভূমিকা রয়েছে, যারা নিরলসভাবে কাজ করে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে সাহায্য করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর অন্যতম হলো প্যারামেডিক, যাদের অনেক সময় টেকনিশিয়ানও বলা হয়। একজন সফল প্যারামেডিকের তিনটি মূল শক্তিকে “3 P’s” নামে উল্লেখ করা হয়—
BMLT হলো ৩ বছর মেয়াদী একটি স্নাতক কোর্স, যেখানে মূলত ল্যাবরেটরির বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়।
BMLT সম্পন্ন করার পর চাকরির সুযোগগুলো মধ্যে রয়েছে—
মেডিক্যাল ল্যাব টেকনোলজিস্ট
এক্স-রে টেকনিশিয়ান/টেকনোলজিস্ট
MRI টেকনিশিয়ান
অ্যানেস্থেশিয়া টেকনিশিয়ান
অপারেশন থিয়েটার টেকনিশিয়ান
CT স্ক্যান টেকনিশিয়ান
প্যাথোলজি টেকনিশিয়ান
অর্থোপেডিক/প্লাস্টার টেকনিশিয়ান
ল্যাবরেটরি সুপারভাইজার
QC ম্যানেজার
এবং আরও অনেক ধরনের ক্লিনিক্যাল ও টেকনিক্যাল ভূমিকা